Urstory অনলাইনে ৪লক্ষ তরুণদের ফ্রী প্রশিক্ষণ কর্মশালার টানা ১০০০দিনের ইতিহাস! "নিজের বলার মতো একটা গল্প" উদ্দ্যোক্তা বিষয় প্রশিক্ষণ, ১০টি বিষয়ে স্কিল শেখানো ও মূল্যবোধ সংক্রান্ত অনলাইন প্রশিক্ষণ কর্মশালার প্লাটফর্ম। এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ বলেন- নিজে স্বপ্ন দেখি ও তরুণদের স্বপ্ন দেখাই। এটা আমার সামাজিক দায়বদ্ধতা যা আমি কোন প্রকার পারিশ্রমিক ছাড়া করি এবং প্রতিদিন ২ঘন্টা সময় ব্যয় করি এই কাজে। প্রায় অসম্ভব একটি স্বপ্ন আজ সারা বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ও ৫০টি দেশের প্রবাসী বাংলাদেশীসহ মোট ৪০০,০০০ তরুণ-তরুণীদেরকে মোট ১০টি ব্যাচের মাধ্যমে ৩৬০টি কনটেন্ট দিয়ে টানা ৯০ দিন করে বিনামূল্যে উদ্দ্যোক্তা বিষয়ক, মুল্যবোধ ও ১০ টি স্কিল নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এই প্লাটফর্ম থেকে। এখন চলছে ১১তম ব্যাচ। চাকুরী করবো না চাকুরী দেব, এই ব্রতকে সামনে রেখে ১০০০দিন ধরে একদিনের জন্যেও এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার বন্ধ ছিলনা। এটা সারা বিশ্বে একটা ইতিহাস - এত লম্বা এবং টানা ৯০ দিন এবং টানা ১০০০ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা পৃথিবীতে কেউ কোনোদিন করেনি। ইতোমধ্যে এই প্লাটফর...
এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি
স্কুল খোলার বিকল্প কি? করেনা সংকটকালীন মূহূর্তে বিদ্যালয় খোলার বিকল্প পন্থা প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো খুলে দেওয়া উচিত এবং মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ভার্চুয়াল জগতে নিয়ে আসা উচিত। তবে কেন শুধু প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো খোলা উচিত?? এর সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ আছে। আমাদের শিক্ষার যে হাতেখড়ি সেটা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই অর্জন করি। শিক্ষার যে মৌলিক ভিত্তিস্তর- পড়তে পারা, লিখতে শেখা, সেটা প্রাথমিক বিদ্যালয়েই আমরা পেয়ে যাই। যে কোন দিন স্কুলে যায়নি সে কিন্তু পড়তে পারবেনা। কিন্তু যে প্রাথমিক বিদ্যালয় শেষ করেছে সে সহজেই নিজে নিজে পড়ে বুঝতে পারবে। তাই নিঃসন্দেহে সে ভার্চুয়াল ক্লাস করে স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারবে। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা করা অতীত জরুরী। একজন শিশু যখন বিদ্যালয়ে যাবে তখন নিশ্চয় সে কিছু সঙ্গী পাবে খেলাধুলা করার জন্য। আর এই খেলাধুলা শরীর ও মনকে সতেজ রেখে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটাবে। ষষ্ঠ কিংবা তার উপরের শ্রেনিতে পড়ুয়া একজন শিক্ষার্থী শরীর ও মনকে সতেজ রাখতে এবং নিজের সার্বিক বিকাশে নিজে নিজে বিভিন্ন ধরনের ...
Dreammer আমাদের চারপাশে অসংখ্য স্বপ্নবাজ মানুষ আছে। তারা তাদের স্বপ্নপূরণে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। দিনের পর দিন ধৈর্য ধরে পরিশ্রম করে যাচ্ছে শুধুমাত্র তাদের স্বপ্নগুলো বাস্তবে রুপান্তরিত করার জন্য। কত ত্যাগ-তিতিক্ষা আর আশেপাশের মানুষের কত কটুকথা যে তাদের শোনতে হয়, সেটাই শুধু তাঁরাই জানে। তবুও দিনের পর দিন লক্ষ্যে অটুট থেকে একটু একটু করে এগিয়ে যান। এভাবে সব বাধাঁ বিপত্তির পিছনে ফেলে একসময় পৌছে যান সফলতার শীর্ষে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন